সাবিত রিজওয়ান তুফান একটি ট্রেনিং সেন্টারে তিন মাস ধরে কঠোর ট্রেনিং সম্পন্ন করেছিল। ট্রেনিং শেষে সেন্টারের কর্তৃপক্ষ ও ট্রেইনাররা ট্রেইনিদের বিভিন্ন কোম্পানিতে চাকরিতে পাঠাতেন, যাতে তারা বেকারত্ব থেকে মুক্তি পায়।
[বাকি অংশ পড়ুন...]
দীপ্ত চক্রবর্ত্তীঃ বৃষ্টি পড়ে ঘোর বরষায় মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে আজ, পাপড়ি মেলে সদ্য ফোটা ফুলের ভারি লাজ! লুকাতে চায় নিজেরে তাই পাতার আভরণে ভেজা দেহের রূপ যে তাহার নয়ন হরে,হৃদয়
সাবিত রিজওয়ানঃ সেই চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশে বের হয়েছি। মাঝপথে: চান্দিমা বাইপাসের ধারে কিছু হোটেলের সাইনবোর্ড চোখে পড়তেই শাহ আলম কাক্কু বলে উঠলেন,”তুফান, সামনের হোটেলে ট্রাকটা দাঁড় করাও। অনেক চালাইছো,
অচিন্ত গোস্বামীঃ তিনজন ছিলাম—হাস্যরসে গড়া বন্ধন, প্রফুল্ল কণ্ঠে উচ্চারিত হতো জীবনের সহজ সত্য। পথ চলত সমান, পদক্ষেপে থাকত ছায়ার মতো কথা, দুপুরের রোদে কিংবা সন্ধ্যার নরম আলোয়। তাদের এক জন—আজ
পুষ্প রানী মোবাইল ফোন যারা তৈরি করেছেন – তাদের জানাই আমি আদাব , কিছু মানুষের জীবনে এই মোবাইল ফোন ; ঘটিয়ে চলেছে অদ্ভূদ বিবাদ। ডাটা খুললে ম্যাসেঞ্জারে বলে তোমার- ছবিটা