
শেরপুরে তিন ফসলী জমিতে খাল খননের উদ্যোগ ক্ষুব্ধ কৃষকরা।
মোঃ আমিনুল ইসলাম শেরপুর প্রতিনিধি।
শেরপুরের নকলায় তিন ফসলী জমিতে খাল খননের উদ্যোগ নেয়ায় ক্ষুদ্ধ স্থানীয় কৃষকরা। স্থানীয়দের দাবি, এই খাল খনন হলে তিন ফসলী জমির আবাদ হারানোর পাশাপাশি বাড়ি-ঘর ভাঙনের আশঙ্কা রয়েছে।
জানা যায়, শেরপুরের নকলার চন্দ্রকোণা ইউনিয়নের মৃগী নদীর মোহনায় থেকে মেহেদীডাঙ্গা পর্যন্ত জমিগুলো এক সময়ে জলাশয় ছিল। পরবর্তীতে ১৯৮২ সনের জরিপে ওই জমিগুলো মালিকাধীন লিপিবদ্ধ হয়। এরপর থেকেই কৃষকরা ধান, ভুট্টা, সরিষাসহ রবি-শস্য আবাদ করে জীবন নির্বাহ করে আসছেন।
ভূক্তভোগী কৃষকরা জানায়, সম্প্রতি মৃগী নদীর মোহনা থেকে মেহেদীডাঙ্গা পর্যন্ত প্রায় ৫কিলোমিটার এলাকার জমিতে খাল খননের উদ্যোগ নেয় এলজিইডি। এতেই ক্ষুদ্ধ হয় স্থানীয় কৃষকরা। খাল খননের উদ্যোগ নেয়ার প্রতিবাদে ইতোমধ্যেই বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ প্রদান, মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচী পালন করেছে। উপজেলার জানকীপুর, হুজুরীকান্দা ও বন্দটেকী এলাকার হাজারো কৃষক প্রতিবাদ বিক্ষোভ অব্যহত রেখেছন। তারা জানান, এই খালের প্রয়োজন নেই, এখানে খাল হলে তিন গ্রামের প্রায় ৫হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হবে।
শেরপুর এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, খাল খননে যদি স্থানীয়দের লাভের চেয়ে ক্ষতি হয়, তাহলে প্রকল্প বাতিল করা হবে।
উল্লেখ্য, মেহেদি ডাংগা খাল উপ-প্রকল্পে খাল খনন, রেগুলেটর মেরামত ও একটি পাবসস অফিস নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২ কোটি টাকা।