মোঃ সবুজ মিয়া, স্টাফ রিপোর্টার:
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জের একটি বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবনের ইট বিক্রির অভিযোগ উঠেছে মাহজুবা উম্মে লাবনী নামে এক প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে। এঘটনায় ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে উপজেলা ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছিলেন এলাকাবাসী। তবে এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও তদন্তে গাফিলতি করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ড. মাহমুদা খাতুনের বিরুদ্ধে।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বাহাগিলী ইউনিয়নের বাহাগিলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষিকার নাম মাহজুবা উম্মে লাবনী।
জানা যায়, গত বছরে বিদ্যালয়টিতে নতুন ভবন নির্মাণের অনুমোদন পেলে পুরোনো ভবনটি ভেঙে ফেলা হয়। ভাঙা ভবনের ইট ও অন্যান্য সামগ্রী মাঠে স্তূপ করে রাখা ছিল। গত বছরের ২০ জুন রাতে প্রধান শিক্ষিকা কয়েকজন ব্যক্তিকে দিয়ে ট্রলিতে গাড়ীতে ইট তুলে নিয়ে যাওয়া যাচ্ছিলেন। এসময়ে স্থানীয়রা ট্রলিটি আটকিয়ে পুলিশে খবর দেয় পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ট্রলিটি আটক করেন৷ এবিষয়ে সুষ্ঠু বিচার চেয়ে স্থানীয়রা প্রশাসন এবং উপজেলা ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও এখন পর্যন্ত কোন ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এঘটনায় আজকে (২৫ জুন) স্থানীয়রা আবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বাহাগিলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মাহজুবা উম্মে লাবনী বিদ্যালয়ের ইটসহ বিভিন্ন সামগ্রী বিক্রি করেন। এঘটনার পরে স্থানীয়রা লিখিত অভিযোগ দায়ের করার পরে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তবে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও তার বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোন ধরনের দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে বিদ্যালয়ের পরিবেশ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার পরিবেশ ও সুনাম নষ্ট হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাকে সেখান থেকে বদলী করা হউক।
স্থানীয় বাসিন্দা কামরুজ্জামান সবুজ ঢাকা পোস্টকে বলেন, বিদ্যালয়ের ইট চুরি হওয়ার মতো একটি বড় ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা এলাকাবাসী অভিযোগ দায়ের করেছিলাম তবুও শিক্ষা কর্মকর্তা তার বিরুদ্ধে কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। আমরা দ্রুত ওই শিক্ষিকাকে ওই বিদ্যালয় থেকে বদলি করার দাবি জানাই।
এবিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ড. মোসা- মাহমুদা খাতুন দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন কে বলেন, বিষয়টি নিয়ে জেলা শিক্ষা অফিসে গেলে ভালো হয়। তাদের কাছে ফাইল পত্র আছে বা তারা বললে আমি ব্যবস্থা নিতে পারব।
নীলফামারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) রবিউল ইসলাম সাংবাদিককে বলেন, এবিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল, বিষয়টির ফাইল আছে এটি নিয়ে শুনানি করা হয়েছিল। শুনানি নেওয়ার পর থেকে ওই অবস্থায় আছে কোন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। ফাইলটা আবার দেখে বিষয়টি খতিয়ে দেখব৷
প্রকাশক - শেখ রবিউল ইসলাম রবি, সম্পাদক - মোঃ আনিসুর রহমান, বার্তা সম্পাদক - শারীদ মোল্লা। অস্থায়ী প্রধান কার্যালয় - সোনারগাঁ,নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা -বাংলাদেশ। Reg : TL-1061, fb: daily nayakontho, e-mail :[email protected], [email protected],web:www.dailynayakontho.com,
কপিরাইট © প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | দৈনিক নয়া কন্ঠ | Developed by UNIKBD.COM