মেহেরপুর :
মেহেরপুর শহরের মন্ডলপাড়ায় টআএক পুত্রবধূকে ধর্ষণের চেষ্টায় আলফাজ উদ্দিন মধু নামের এক শশুরের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন পুত্রবধূ। মেহেরপুর জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে পুত্রবধূ তার আপন শশুরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টা মামলা দায়ের করে। আদালতের বিচারক শেখ মাসুদ আলী মামলা টি মেহেরপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি কে সাত দিনের মধ্যে তদন্ত করে রিপোর্ট প্রদানের নির্দেশ দেন।
পিটিশন মামলা নং ৪৪/২৬
অভিযুক্ত শশুর আলফাজ উদ্দিন মধু শহরের মন্ডল পাড়ার মৃত সলিম শাহের ছেলে। অভিযোগকারী পুত্রবধূ আশরাফপুর গ্রামের তসেম আলীর মেয়ে। আট মাস পূর্বে আলফাজ উদ্দিন মধুর ছেলে শাফিউল এর সাথে পারিবারিক ভাবে তার বিয়ে হয়।
জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের পাবলিক প্রসিকিটর পিপি এ্যাড: মোস্তাফিজুর রহমান পিটিশন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য সদর থানার অফিসার ইনচার্জ কে নির্দেশ দিয়েছেন। মামলায় বাদী পক্ষের আইনজীবী হিসেবে আদালতে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট মারুফ আহমেদ বিজন।
মামলার বিবরনে জানা যায়, গত ১৫ মার্চ রাতে বাড়ির লোকজন হাসপাতাল যায়। স্বামী সাফিউল তার পিতার সাথে রাগারাগি করে বোনের বাড়িতে অবস্থান করে। এই সুযোগে মধ্যরাত্রে পূত্রবধুর ঘরে তার শশুর আলফাজ উদ্দিন মধু প্রবেশ করে জোর করে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় সে নিজের ইজ্জত বাঁচাতে শশুরের সাথে ধস্তাধস্তি শুরু করেন। এই সুযোগে লম্পট শ্বশুর তার শরীরের বিভিন্ন স্পর্শ স্থানে হাত দেন বলেও মামলায় উল্লেখ করেন। ঘটনার দিন সকালে পূত্রবধূর স্বামী শাফিউল বাসায় ফিরলে তার সাথে ঘটে যাওয়া রাতের ঘটনা খুলে বললে সে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করে না। এ ঘটনায় পুত্রবধূ নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে বাপের বাড়ি আশরাফপুর ফিরে যান। পরবর্তীতে পূত্রবধূর কোন খোঁজ খবর তার স্বামী বা শশুর নেয়নি। গত তিন সপ্তাহ আগে তার শশুর আলফাজ উদ্দিন মধু পুত্রবধূর স্বামী শাফিউলকে আবারো তৃতীয় তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর সাথে বিয়ে দিয়ে বাড়ি নিয়ে আসেন। বিয়ের বিষয়টি জানতে পেরে পূত্রবধূ তার শ্বশুর বাড়ি গেলে লম্পট শশুর আবারো তাকে বলে যে তার শর্ত মেনে নিলে তাকেই বাড়িতে রাখবে। পুত্রবধূ মামলায় আরো বলেন, আলফাজ উদ্দিন মধুর ছেলে শাফিউল তাকে তালাক না দিয়ে তার তালাকপ্রাপ্ত তৃতীয় স্ত্রীকে বিয়ে করে বাড়িতে নিয়ে আসেন। এর আগেও সে তিনটা বিয়ে করেছিলো। আমি চার নম্বর স্ত্রী হিসেবে বাড়িতে ছিলাম। পূর্বের পুত্রবধূর সাথেও তার শশুর এই ধরনের আচরণ ও ধর্ষণের চেষ্টা চালান বলে তারা বাড়ি ছেড়ে চলে যায়।
বিস্তারিত কমেন্টে
প্রকাশক - শেখ রবিউল ইসলাম রবি, সম্পাদক - মোঃ আনিসুর রহমান, বার্তা সম্পাদক - শারীদ মোল্লা। অস্থায়ী প্রধান কার্যালয় - সোনারগাঁ,নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা -বাংলাদেশ। Reg : TL-1061, fb: daily nayakontho, e-mail :[email protected], [email protected],web:www.dailynayakontho.com,
কপিরাইট © প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | দৈনিক নয়া কন্ঠ | Developed by UNIKBD.COM