সাইফুল হাসান কাশিয়ানী বিশেষ প্রতিনিধি:
কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও তার পরিবারের মোবাইল নম্বর চাওয়াকে কেন্দ্র করে অত্র প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির সাবেক সদস্য ও প্রতিষ্ঠাতার নাতীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র মূলক অপপ্রচার ও কোন এক অদৃশ্য শক্তির ইশারায় অধ্যক্ষ বরাবর অশালিন আচরন উল্লেখ করে লিখিত অভিযোগ করেছে দশম শ্রেনীর শিক্ষার্থীরা।
এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে কিছু শিক্ষার্থী ক্লাস বর্জন সহ বিচারের দাবি করে।
রবিবার (১৭ মে) ও সোমবার (১৮মে) এমন ঘটনা ঘটেছে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার "গোয়ালগ্রাম কামিল মাদ্রাসায়"
শ্রেনী কক্ষ সহ কিছু জায়গার সিসি ক্যামেরা ও মোবাইলে ধারনকৃত ফুটেজ প্রতিবেদকের হাতে পৌছালে গোয়ালগ্রাম মাদ্রাসায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় আরও কিছু চিত্র। শ্রেনী কক্ষের সাথেই শিক্ষকদের আবাসিক রুম। ঘুমিয়ে আছে একজন শিক্ষক।তখন দুপুর দুইটা।ক্লাস না নিয়ে ঘুমাচ্ছেন জানতে চাইলে তিনি জানান একটু বিশ্রাম নিচ্ছি।অথচ তখন ঔ শিক্ষকের থাকার কথা ক্লাস রুমে।
এমনসব ঘটনা ও বারংবার সিসি ক্যামেরা ভেঙ্গে ফেলার কারন
নজরদারি করতে চেয়েছিল মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠাতার নাতী ও সাবেক সদস্য মাসুম বিল্লাহ বিন নাজিম।এমন বর্ণনা দিয়ে তিনি আরও বলেন-আমার দাদার করা এই প্রতিষ্ঠান এবং এখানেই তিনাকে দাফন করা হয়েছে। আর সেই যায়গায় এমন অশ্লীল কর্মকান্ড মেনে নেওয়ার নয় তাই আমি সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে নজর রেখেছিলাম।কয়েক বার কে বা কারা সিসি ক্যামেরা ভেঙে ফেলেছে,তার পরেও আবার ঠিক করা হয়েছে,আমি আরো পর্যাবেক্ষন করতে অভিযোগ কারী শিক্ষার্থী মিম সহ কয়েকজন এর সাথে একটু কথা বলার চেষ্টা করি, এক পর্যায়ে মিমের কাছে মিম অথবা তার পরিবারের নম্বার চাই,হয়তোবা সেই বিষয়টা একান্ত সময় কাটানো সেই শিক্ষার্থীরা জানতে পারে।সে কারনেই অন্য সকল শিক্ষার্থীদের ক্ষেপিয়ে তুলে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ক্লাস বর্জন করছে।
এমন অভিযোগে মিম নিজেই সাক্ষাৎকার দিয়েছে যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়েছে, উল্লেখ করেছে মিম ও তার পরিবারের ফােন নাম্বার চাওয়া হয়েছে।এ ছাড়া আর কোন প্রমাণ দেখাতে পারেনি শিক্ষার্থীরা।
তবে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা, প্রেমের প্রস্তাব,হেনেস্তা করা,
ফোন নাম্বার চাওয়া,ছাত্রীদের পাশে বসা ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ করেছে মাদ্রাসার অধ্যক্ষর কাছে।
তিনি আরোবলেন-অল্পকিছু দিনের মধ্যে নতুন পরিচালনা কমিটি হবে সেখানে আমার প্রস্তাবনা আসায় কিছু ব্যক্তির সমস্যা দেখা দিয়েছে।এমনটা মনে করে শিক্ষার্থীদের এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে,আমার নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ভুল বুঝিয়ে অপপ্রচার কারা হচ্ছে,আমি এ অসত্য ঘটনার নিন্দা জানাই।
এ বিষয়ে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওঃ মোঃ কাইয়ুম মিয়া বলেন নির্দিষ্ট কোন অভিযোগ কারীর নাম উল্লেখ না করে দশম শ্রেনীর শিক্ষার্থীরা একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। তদন্ত চলছে।তদন্ত শেষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ক্লাস বর্জনের বিষয়ে তিনি বলেন,আমরাতো তাদের বলছি ঘটনার সত্যতা পেলে ব্যাবস্তা নিব,তারপরও কেন এমন করছে আমার বুঝে আসে না।
শিক্ষকদের আবাসিক রুমের বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন- এ বিষয়ে আমার জানা নেই।একাডেমিক ভবনে এমন রুমের কোন সুযোগ নেই।যদি থাকে আমি ব্যবস্থা নিব।
এসময় অন্য এক শিক্ষকের মাধ্যমে জানা যায়,শিক্ষার্থীদের এমন ঘটনায় আমাদের কিছু শিক্ষকরা পক্ষাপাতিত্ব করছে।
প্রকাশক - শেখ রবিউল ইসলাম রবি, সম্পাদক - মোঃ আনিসুর রহমান, বার্তা সম্পাদক - শারীদ মোল্লা। অস্থায়ী প্রধান কার্যালয় - সোনারগাঁ,নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা -বাংলাদেশ। Reg : TL-1061, fb: daily nayakontho, e-mail :[email protected], [email protected],web:www.dailynayakontho.com,
কপিরাইট © প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | দৈনিক নয়া কন্ঠ | Developed by UNIKBD.COM