নরসিংদী জেলা প্রতিনিধিঃ
মনোহরদী থানার এসআই মোঃ শাহিনুর ইসলামের বিরুদ্ধে আনলাইন মিডিয়া প্রকাশিত সংবাদের বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিবাদ।
দীর্ঘ দিন যাবত সুনামে সাথে মনোহরদী থানার এসআই মোঃ শাহিনুর ইসলাম নিজ দায়িত্ব পালন করে আসছে এবং মাদক বিরোধী অভিযানে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেন এবং বিভিন্ন আপরাধীকে আইনের মাধ্যমে আদালতে প্রেরণ করেন।
উনার সুনাম নষ্ট করার জন্য একজন ভাড়াটিয়া মোঃ আবু সাঈদ সাংবাদিক মিলে এসআই মোঃ শাহিনুর ইসলামের বিরুদ্ধে আনলাইন মিডিয়া ভূয়া, বানোয়াট ভিক্তিহীন খবর প্রকাশ করেন যার কোন সত্যতাই নেই।
সরজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায় যে উক্ত বিষয়ে স্থানীয়গণ্য মান্য ব্যক্তির উপস্থিতি মাধ্যমে সাতদিনে সমাধান দেওয়ার কথা বলেছিলো ভাড়াটিয়া আবু ছাঈদ।
মনোহরদী বাইপাস রোড়ে মোঃ হাসান মিয়ার বাসায় ভাড়া থাকতো আবু ছাঈদ মিয়া নামে একজন ভাড়াটিয়া। দীর্ঘ দিন যাবত পরিবারসহ ভাড়া থাকতেন আবু সাঈদ মিয়া।
বাড়ির মালিক হাসান মিয়ার অভিযোগ দীর্ঘ ছয় মাস যাবত বাসা ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল, পানির বিল বকেয়া রাখেন আবু সাঈদ । বাড়ির মালিক বকেয়া ভাড়া বিল চাইতে গেলে বিভিন্ন বাহানা ও আজুহাত দেখান তিনিএবং বাড়ির মালিক নিরুপায় হয়ে পানি ও বিদ্যুৎ লাইন কেটে দেন।
বাড়ি মালিক থানা অভিযোগ করলে ঘটনা সত্যতা তদন্ত করার জন্য মনোহরদী থানার চৌকস এসআই মোঃ শাহিনুর ইসলাম
ঘটনাস্থলে যান ও ভাড়াটিয়া সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে গেটে তালা লাগিয়ে রাখেন ভাড়াটিয়া এবং ভাড়াটিয়া পুলিশকে বাসার ভিতরে ঢুকতে দেয়নি। ভাড়াটিয়া লোকজন পুলিশকে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে রাখেন নিরুপায় হয়ে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ চলে আসেন।
ভাড়াটিয়া আবু সাঈদ পরিবারে লোকজনকে থানা আসার জন্য বলেন পুলিশ, যাতে একটি সুন্দর সমাধান দেওয়া যায়।
প্রকাশিত সংবাদে মাঝে সাংবাদিক লিখেছেন পুলিশ নাকি আড়াই লক্ষ টাকা পেয়ে রফাদফা করেছেন এই বিষয়টা একেবারে মিথ্যা ভিক্তিহীন।
উপস্থিত লোকজন ও নীচ তলা দোকানদারে সাথে কথা বললে তিনি জানান, পুলিশকে ভাড়াটিয়া বাসায় ভিতরে ডুকতে দেয়নি তাহলে কিভাবে টাকা রফাদফা করেছে।
আর থানায় জিজ্ঞাসা জন্য ডাকা মানেই না গ্রেফতার করা,এক কথা নয়। সাংবাদিক মনগড়া মতন সংবাদ প্রকাশ করেছে।
আবু সাঈদের বন্ধু মোশারফ এর সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, আবু সাঈদ একজন প্রতারক ও ভণ্ড সে একাধিক বিয়ে করেছে এবং বিভিন্ন জাগায় বাসা ভাড়া নিয়ে এইভাবে বাসার মালিক পক্ষকে বিভিন্নভাবে চুক্তিনামা আজুহাত দেখিয়ে হয়রানি করেন তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও রয়েছে গাজিপুর থানাসহ বিভিন্ন স্থানে।
মনোহরদী অফিসার ইনর্চাজ মোঃ জাহানগীর বাদশা সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন এই বিষয়ে তদন্ত চলছে আর সাঈদের নামে ওয়ারেন্ট বিষয়ে অফিসার ইনচার্জকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানায় উক্ত ব্যক্তির নামে থানায় কোন ওয়ারেন্ট আসেনি।
মনোহরদী থানার এসআই মোঃ শাহিনুর ইসলাম সাথে যোগাযোগ করলে এই সম্পর্কে তিনি বলেন আমি কোন টাকা পয়সা নেইনি এবং আবু ছাঈদ ও পরিবারে কাউকে গ্রেফতার করিনি। আবু ছাঈদ ও তার পরিবারেকে থানা আসতে বলি এই বিষয়ে কথা বলে সুষ্ঠু সমাধানের জন্য।
প্রকাশিত আনলাইন সংবাদের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন সাংবাদিক মনগড়া মতন বানোয়াট ভিস্তিহীন মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমার সুনাম সম্মান নষ্ট করতে চেয়েছ আমি সঠিক তথ্য তুলে ধরতে সাংবাদিক মহলকে অনুরোধ করছি।
প্রকাশক - শেখ রবিউল ইসলাম রবি, সম্পাদক - মোঃ আনিসুর রহমান, বার্তা সম্পাদক - শারীদ মোল্লা। অস্থায়ী প্রধান কার্যালয় - সোনারগাঁ,নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা -বাংলাদেশ। Reg : TL-1061, fb: daily nayakontho, e-mail :[email protected], [email protected],web:www.dailynayakontho.com,
কপিরাইট © প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | দৈনিক নয়া কন্ঠ | Developed by UNIKBD.COM