তথ্যসূত্র:মিডল ইস্ট মনিটর
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ, সেনাপ্রধান ইয়াল জামির, সামরিক গোয়েন্দাপ্রধান শ্লোমি বিন্ডারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ৭ মার্চ ২০২৬ তেল আবিবে অনুষ্ঠিত এক নিরাপত্তা পর্যালোচনা বৈঠকে ইসরায়েলের সামরিক পরিস্থিতি নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।
বৈঠকে সেনাপ্রধান ইয়াল জামির সতর্ক করে বলেন, ইরান ও হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে এবং একাধিক ফ্রন্টে চলমান যুদ্ধের তীব্র চাপে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ‘ভেতর থেকে ভেঙে পড়ার’ ঝুঁকিতে রয়েছে।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত নিরাপত্তা মন্ত্রিসভার বৈঠকে তিনি জানান, সেনাবাহিনী বর্তমানে গভীর অভ্যন্তরীণ সংকটে রয়েছে, যার অন্যতম প্রধান কারণ হলো সৈন্যসংখ্যার ঘাটতি। ইসরায়েলের সংবাদমাধ্যম ইয়েদিওথ আহরোনথ-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রিজার্ভ বাহিনীও দীর্ঘদিন এই চাপ বহন করতে পারবে না।
জামির সরকারের সমালোচনা করে বলেন, অতি গোঁড়া (হারেডি) ইহুদিদের সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্তি, রিজার্ভ আইন সংশোধন এবং বাধ্যতামূলক সামরিক সেবার মেয়াদ বৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগত সমস্যাগুলোর সমাধানে এখনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
পরিস্থিতির গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, “আমি ১০টি লাল পতাকা (বিপদ সংকেত) দেখছি।”
তিনি আরও জানান, বর্তমানে গাজা উপত্যকা, লেবানন, সিরিয়া ও পশ্চিম তীরসহ একাধিক সক্রিয় ফ্রন্টে সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকায় সৈন্যের চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে।
বিশেষ করে পশ্চিম তীরে সহিংসতা বৃদ্ধির কারণে সেখানে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করতে হয়েছে, যা ইতিমধ্যে ক্লান্ত ও চাপে থাকা সেনাদের ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করছে।
সেনাপ্রধান সতর্ক করে বলেন, প্রয়োজনীয় আইন পাসে বিলম্ব হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। এমনকি তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী শিগগিরই স্বাভাবিক দায়িত্ব পালনে অক্ষম হয়ে পড়তে পারে।
তিনি আরও বলেন, চলমান এই চাপ অব্যাহত থাকলে দেশটির সামরিক প্রস্তুতিতে গুরুতর ধস নামতে পারে।
প্রকাশক - শেখ রবিউল ইসলাম রবি, সম্পাদক - মোঃ আনিসুর রহমান, বার্তা সম্পাদক - শারীদ মোল্লা। অস্থায়ী প্রধান কার্যালয় - সোনারগাঁ,নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা -বাংলাদেশ। Reg : TL-1061, fb: daily nayakontho, e-mail :[email protected], [email protected],web:www.dailynayakontho.com,
কপিরাইট © প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | দৈনিক নয়া কন্ঠ | Developed by UNIKBD.COM