রাজশাহী ব্যুরোঃ
রাজশাহী মহানগরীতে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), চন্দ্রিমা এবং শাহমখদুম থানা পুলিশের পৃথক পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে ৬ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- বোয়ালিয়া থানার সপুরা দক্ষিণ শালবাগান গ্রামের (বর্তমানে শাহমখদুম থানার ওমরপুর গ্রামে বসবাসরত) মো: সেন্টু মিয়ার ছেলে মো: মিনহাজ আলী ওরফে জয় (২৭); চন্দ্রিমা থানার নারিকেল বাড়ীয়া (কৃষি কলেজ) গ্রামের মো: ছয়ের আলীর ছেলে মো: মুঞ্জুর আলী (৪০); একই থানার মুশরইল পূর্বপাড়া গ্রামের মো: সিরাজুল ইসলামের ছেলে মো: সুজন আলী (২৮); একই থানার ছোটবনগ্রাম পশ্চিমপাড়া (পেঁপে বাগান পাড়া) গ্রামের মৃত দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মো: জীবন (২৮); নওগাঁ জেলার মান্দা থানার বিলসুলশুনিয়া গ্রামের (বর্তমানে শাহমখদুম থানার পবা নতুনপাড়ায় বসবাসরত) মো: রওশন আলীর ছেলে মো: হাবিবুর আলী (২১) এবং শাহমখদুম থানার পবা নতুনপাড়া (বড় বনগ্রাম) গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে মো: রহিদুল ইসলাম (২২)। বর্তমানে সকলেই রাজশাহী মহানগরীতে বসবাস করেন।
গতকাল ১৬ মার্চ দুপুর আনুমানিক পৌনে ৩টার দিকে শাহমখদুম থানার ওমরপুর (গির্জার পূর্ব পাশে) এলাকা থেকে মিনহাজ, ১৫ মার্চ রাত ১১টার দিকে চন্দ্রিমা থানার নারিকেল বাড়ীয়া এলাকা থেকে মুঞ্জুর ও সুজন, ১৬ মার্চ দুপুর আনুমানিক পৌনে ৩টার দিকে চন্দ্রিমা থানার ছোটবনগ্রাম পশ্চিমপাড়া (পেঁপে বাগানপাড়া) এলাকা থেকে জীবন এবং একই দিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে শাহমখদুম থানার বনলতা আবাসিক এলাকা থেকে হাবিবুর ও রহিদুলকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের দেহ তল্লাশি করে মিনহাজের কাছ থেকে ৩০ পিস, মুঞ্জুরের কাছ থেকে ৫ পিস, সুজনের কাছ থেকে ৫ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও জীবনের কাছ থেকে ৪০ গ্রাম গাঁজা, হাবিবুরের কাছ থেকে ৬ পিস এবং রহিদুলের কাছ থেকে ২ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মিনহাজের বিরুদ্ধে আরএমপি’র পৃথক থানায় ১টি মাদক মামলা সহ মোট ২টি মামলা চলমান রয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।