
মোঃ লিটন হোসেন লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি :
রায়পুর উপজেলা মৎস্য অফিস চলছে মাত্র একজন কর্মকর্তা দিয়ে। গত কয়েক বছর ধরে এ কার্যালয়ে ছয়টি পদের মধ্যে পাঁচটি শূন্য থাকায় জনবল সংকটে ভুগছে অফিসটি। যে কারণে মাঠ পর্যায়ে কোন কর্মকান্ড নেই। অফিসে কর্মকাণ্ড চালাতে গিয়ে বেকায়দায় পড়তে হচ্ছে সংশ্লিষ্টদের।
জানা যায়, রায়পুর উপজেলা মৎস্য অফিসে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার, মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা, ক্ষেত্র সহকারী (মাঠকর্মী), অফিস সহকারী ও অফিস সহায়কের পদ রয়েছে। কয়েক মাস আগে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. রাশেদ হাসান বদলি হওয়ায় বর্তমানে অফিসটিতে কর্মরত রয়েছেন একমাত্র অফিস সহায়ক দেলোয়ার হোসেন।
রায়পুর উপজেলা ১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌর এলাকা নিয়ে গঠিত। এখানে রয়েছে প্রায় পাঁচ লাখ জনবসতির। প্রতিবছর এ উপজেলায় ১০ হাজার ৫৭৫ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন হয়ে থাকে। এবারের বন্যা ও জলাবদ্ধতায় মৎস্য খামারিদের মাছ ভেসে ও অবকাঠামো নষ্ট হয়ে প্রায় ২০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। অফিসটিতে মাত্র একজন কর্মরত থাকায় সেবা নিতে এসে পড়তে হয় বিপাকে।
স্হানীয় খাসেরহাট বাজারের রিপন ছৈয়াল বলেন প্রতিদিন খাসের হাট বাজারে তদারকির অভাবে সকাল বেলায় কয়েক লাখ টাকার জাটকা ইলিশ বিক্রি করা হয়।দেখার যেনো কেউই নেই।
উপজেলা মৎস্যজীবী জহির মাঝি বলেন, মৎস্য অফিসের জনবল বেশি থাকলে তাদের সেবা পেতে সহজ হয়। সে কারণে তিনি দ্রুত ওই অফিসে জনবল পূরণের দাবি জানান।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অফিসে পাঁচটি পদ শূন্য থাকায় কার্যক্রম চালাতে গিয়ে কিছুটা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। ইতিমধ্যে জনবল সংকটের বিষয় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। খুব শীগ্রই উপজেলা মৎস্য অফিসে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার সহ বাকি গুলোতে জনবল সংকট নিরসন হবে।