1. sheikhrobirobi008@gmail.com : dailynayakontho :
  2. reporter3@dailynayakontho.com : nayakantho3941 :
  3. nayakontho@gmail.com : nayakontho :
  4. admin@dailynayakontho.com : unikbd :
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
দ্বিতীয় দফায় বৈঠকে বসতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করলো চীনা তেলবাহী ট্যাঙ্কার রাজশাহীতে আরএমপি’র মাদকবিরোধী অভিযানে ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার; গাঁজা ও ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার।         রামেক হাসপাতালে ফ্যাসিস্ট সিন্ডিকেট অপসারণের দাবিতে রাজশাহীতে মানববন্ধন।   অবসরপ্রাপ্ত ট্রাফিক পুলিশ কনস্টেবল তাঁর ঘুমন্ত ছেলেসহ তিনজনকে কুপিয়ে জখম রাজশাহী সীমান্তে বিজিবি’র পৃথক অভিযানে মাদকদ্রব্য জব্দ। নতুন উদ্দীপনায় “কচি কণ্ঠের আসর” এর পহেলা বৈশাখ পালন। রাজবাড়ী বিএনপির দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে দাখিল করেছেন ৮জন নারী।  জয়পুরহাটে বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট।   রামেকে হামের প্রকোপে বাড়ছে শিশুমৃত্যু, পিআইসিইউ সংকটে ঝরছে প্রাণ।     

রাজবাড়িতে মরিচ পেয়াজ আলুর দাম অত্যাধিক হারে বৃদ্ধি।নয়া কণ্ঠ

  • প্রকাশিতঃ রবিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৩
  • ২৫৬ বার পঠিত

রাজবাড়িতে মরিচ পেয়াজ আলুর দাম অত্যাধিক হারে বৃদ্ধি

রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধিঃ ছাব্বির হোসেন বাপ্পি,

রাজবাড়ীতে মরিচ, পেয়াজ ও আলুর দাম অত্যাধিক বেড়েছে। গত দুই দিনের ব্যাবধানে দ্বিগুন হয়েছে মরিচের বাজার দর। গত সপ্তাহের শেষ দিকে প্রতি কেজি কাচা মরিচ যেখানে ১০০ টাকা থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। দুই দিন ধরে সে মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকা থেকে ২৫০ টাকায়।

এদিকে গত এক সপ্তাহ ধরে পেঁয়াজও বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামে। এক সপ্তাহ আগে প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়ছে ৬৫ টাকা থেকে ৭০ টাকায়, এক সপ্তাহ ধরে কেজিতে ১০/১৫ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজিতে। ৫০ টাকা কেজির এলসি পেঁয়াজ বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৭০/৭৫ টাকায়। আর দেশীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি দরে।এদিকে বাজারে আলুর সরবরাহ থাকলেও বর্তমানে তা ৪৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হতে দেখা গেছে।যা গত সপ্তাহের প্রথম দিকে ৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল।

বাজারে আসা ক্রেতা জালাল ফকির, সাইদুর রহমান বলেন, যে হারে বাজার পরিস্থিতি ক্রয় ক্ষমতা আমাদের নাগালে বাইরে চলে যাচ্ছে এতে আমাদের আর বাচার উপায় নাই। বর্তমানে কাচা মরিচ, পেঁয়াজ ও আলুর দাম সবচেয়ে বেশি। সরকারতো তদারকি করেনা করলে আমাদের মত খেটে খাওয়া মানুষ একটু স্বস্তি পেতাম বলে জানান।
ব্যাবসায়ী সেলিম মিয়া, কালাম মোল্লা বলেন, তাদের কিছু করার নাই। আড়ৎদারদের কাছ থেকে অতিরিক্ত দামে তাদের মালামাল কিনতে হচ্ছে। যে কারণে তারা বাধ্য হচ্ছে বেশি দামে পন্য বিক্রি করতে।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
২০২৫ © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD