
তৌকির আহাম্মেদ হাসু,স্টাফ রিপোর্টার:
জামালপুরের সরিষাবাড়ী পৌরসভার অন্তর্গত ঐতিহ্যবাহী বাউসী হাট বহু বছর ধরে সরকারি নিয়মনীতি, স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে পরিচালিত হয়ে আসছে। হাটের ব্যবস্থাপনা, খাজনা আদায় এবং বাজার নিয়ন্ত্রণে পৌরসভা নিয়মিত তদারকি করছে। ফলে হাটের সুনাম যেমন রয়েছে, তেমনি ব্যবসায়ীরা নিরাপদ পরিবেশে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করছেন।
কিন্তু সম্প্রতি একটি কুচক্রী মহল নিজেদের স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে বাউসী হাটে অতিরিক্ত খাজনা আদায় করা হচ্ছে— এমন ভিত্তিহীন ও অসত্য অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। এই মিথ্যা প্রপাগাণ্ডার বিরুদ্ধে হাট কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
হাট ভিটার হাট পরিচালক শাহ মোঃ আশরাফুল আলম বলেন,“বাউসী হাটে সমস্ত খাজনা আদায় করা হয় সরকার নির্ধারিত হার অনুযায়ী। রাজস্ব, বাজার ফি, অস্থায়ী-স্থায়ী দোকানের খাজনা— সবকিছুই নিয়ম-নীতি মেনে আদায় করা হয়।অতিরিক্ত খাজনা গ্রহণের বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বাজারকে বিতর্কিত ও প্রশ্নবিদ্ধ করতে একটি চক্র এসব অপপ্রচার করছে।”
হাটের দীর্ঘদিনের কয়েকজন ব্যবসায়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,“আমরা নিয়মিত এখানে ব্যবসা করি। কোনোদিন বাড়তি খাজনা দিতে হয়নি।খাজনা কত এবং কোন খাতে দিতে হবে—সেটা পরিষ্কারভাবেই বলে দেওয়া হয়।যারা অপবাদ দিচ্ছেন তারা ব্যক্তিগত স্বার্থেই মিথ্যা প্রচার ছড়াচ্ছেন।
স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে—দীর্ঘদিন ধরে স্বচ্ছতা ও জনপ্রিয়তার কারণে বাউসী হাট মানুষের আস্থার জায়গা হয়ে উঠেছে।এই সুনাম নষ্ট করতে স্বার্থান্বেষী একটি চক্র মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে হাটকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে।এরা বাজারকে অস্থিতিশীল করে নিজেদের সুবিধা নিতে চায়।
হাট পরিচালনা কমিটি, ব্যবসায়ী সমাজ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ একসঙ্গে বলেছেন—বাউসী হাটের বিরুদ্ধে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে আমরা তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। জনস্বার্থে স্বচ্ছতা বজায় রেখে বাউসী হাট সঠিক নিয়মে পরিচালিত হবে। কোনো অপপ্রচারেই আমরা প্রভাবিত হব না।