1. sheikhrobirobi008@gmail.com : dailynayakontho :
  2. admin@dailynayakontho.com : unikbd :
মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বায়েক,পুটিয়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে হাসান নামের এক বাংলাদেশি যুবক নিহত। ডেইলি নয়া কণ্ঠ রাজশাহীতে ছবি তোলার অপরাধে সাংবাদিক গ্রেফতার, অতঃপর মুক্তি। ডেইলি নয়া কণ্ঠ গাংনী উপজেলা নির্বাচনে বিএনপির একসহ ১০ চেয়ারম্যান প্রার্থী। ডেইলি নয়া কণ্ঠ বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে নেত্রকোনায় বর্ণাঢ্য র‍্যালী আলোচনা সভা দোয়া মাহফিল ও কেক কাটা অনুষ্ঠিত। ডেইলি নয়া কণ্ঠ একজন মানবতার ফেরিওয়ালা আরমান মোল্লা। ডেইলি নয়া কণ্ঠ পোরশা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন যারা। ডেইলি নয়া কণ্ঠ গোমস্তাপুরে সারে ৬ হাজার কৃষক পেলেন সার ও বীজ। ডেইলি নয়া কণ্ঠ শাহমখদুম থানার অপহরণ মামলার ২ আসামি গ্রেফতার। ডেইলি নয়া কণ্ঠ কলেজ শিক্ষার্থীর ডান চোখ উপড়ে ফেলার পর বাম চোখ উপড়ে ফেলার হুমকি প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন। ডেইলি নয়া কণ্ঠ ভোলায় স্বামীর অত্যাচার ও নির্যাতনের প্রতিবাদে প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করলো স্ত্রী। ডেইলি নয়া কণ্ঠ

হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যাবস্থার বেহাল অবস্থা । নয়া কণ্ঠ

  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৯৬ বার পঠিত

 

হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যাবস্থার বেহাল অবস্থা

রাজশাহী ব্যুরো ঃ রাজশাহী শহরের প্রতিটি বেসরকারি/ সরকারি হাসপাতালে ডাক্তারদের ব্যাক্তিগত চেম্বার ঘুরে দেখা যায় , কর্তৃপক্ষের বিধিনিষেধ অমান্য করে অফিসিয়াল সময়ে বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিরা ডাক্তারের চেম্বারে ভীড় জমিয়ে রাখছেন। তাদের অনাকাংক্ষিত এই ভীড়ের কারণে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা মারাত্বক বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, দিনভর মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভদের দখলে থাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আউটডোর ও এমার্জেন্সি গেটের সামনে এবং সকাল থেকেই তারা হাসপাতালের চিকিৎসকদের চেম্বার ও বিভিন্ন ওয়ার্ডে অবাধ বিচরণ করে থাকেন। শুধু তাই নয়, হাসপাতালের জরুরী বিভাগের সামনে, হাসপাতালের ভেতরে ডাক্তারদের চেম্বারের সামনে অবস্থান নিয়ে তারা রোগীদের ব্যবস্থাপত্র নিয়ে টানাহেঁচড়া করে থাকেন। ব্যবস্থাপত্রের ছবি তোলেন, দেখেন কোন কোম্পানির ঔষধ লেখা হয়েছে। এসময় বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানির জেলা প্রতিনিধিরাও মোটরসাইকেল নিয়ে অবস্থান করেন এমার্জেন্সি ও আউটডোর গেটের সামনে । হঠাৎ কেমেরা হাতে সাংবাদিক এর উপস্থিতি দেখলে সটকে পড়ে রিপ্রেজেন্টেটিভরা।। এদিকে হাসপাতালের সন্নিকটে অবস্থিত চার থেকে পাঁচটি প্রাইভেট ক্লিনিকের কিছু দালাল নিজেদের মোবাইল নম্বর দিয়ে রোগী বা তার স্বজনদের বিভিন্ন ক্লিনিক বা ডায়াগনিস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরামর্শ দেন এবং অনেকটা বাধ্য করেন তাদের নির্দিষ্ট ক্লিনিকে পরীক্ষা নীরিক্ষা করানোর কথা বলে নিয়ে যান। আজ ২৭ শে সেপ্টেম্বর বুধবার সন্ধ্যা ৫.৩০ টায় রাজশাহী শহরের নামি দামী এক ডায়াগনিস্টিক সেন্টারে রুমালি বেগম (৩২) নামে এক রুগীর অভিভাবক বলেন, ডাক্তার রুগী দেখবে কোন সময়, ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের সাথে কথা বলাই শেষ হয় না। রুগী তো নাম লিখিয়েছে, সে তো ফেরত যাবে না । তার আগে রিপ্রেজেন্টেটিভদের সাথে ব্যাবসা টা শেষ করে তারপর রুগী দেখবে ।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ বলেন, কি করব ভাই এম,এ পাশ করেও সরকারি চাকুরী সোনার হরিণ তাই বাধ্য হয়েই কোম্পানির দালালি করছি। নওগাঁ থেকে আসা পরিচিত এক বৃদ্ধা রুগীর ছেলের অনুরোধে তাকে সাহায্য করার জন্য হাসপাতালে গেলে ওই ছেলে জানায় এটা ডাক্তার সাহেব এর চেম্বার এর দরজা। দেখি রোগীরা সবাই চেয়ারে বসে আছে, আর ডাক্তারের দরজায় লম্বা লাইন, তবে তারা রোগী নয় ,ঔষধ কোম্পানীর রিপ্রেজেন্টেটিভ । ডাক্তারের সাথে স্বাক্ষাতের জন্য লাইন ধরে দাড়িয়ে আছে । তাদের কাজ শেষ হলে ডাক্তার রুগী দেখা শুরু করবে ।হাসপাতালগুলোতে যেখানে রুগীর সিরিয়াল থাকার কথা, সেখানে দেখা যায় ঔষধ কোম্পানীর রিপ্রেজেন্টটেটিভদের সিরিয়াল। আর ডাক্তার সাহেবরা যত ঔষধ লিখবে তত বেশি কমিশন। তাছাড়া রুগীর রোগ যায় হোক না কেনো মনে যা আছে টায় টেস্ট করতে দেয় ।যেখানে রুগীকে এক রকমের ঔষধ দিলে ভালো হয়ে যাবে সেখানে দেওয়া হচ্ছে কয়েক রকমের ঔষধ। এ যেন এক মহামারি ব্যবসা। আমার মনে সব সময় একটা প্রশ্ন দেখা দেয়, ডাক্তার সাহেব রা তো লেখাপড়া শিখে এসেছে, কিন্তু রোগীর কথা শুনে তারা কোনো ঔষধি দেয় না, সব রোগে কি টেস্টের প্রয়োজন । রাজশাহীর তানোর উপজেলার আমশো গ্রামের আজিজুর বলেন বাংলাদেশের ডাক্তারদের কাছে রুগী গেলে এক বস্তা ঔষধ ধরিয়ে দেই । যা খেতে খেতে রোগীর অবস্থা কাহিল হয়ে যায় অথচ কয়েক মাস আগে আমার এক আত্মীয় ভারতে গিয়ে চিকিৎসা নিয়ে এসেছে, সেখানকার ডাক্তারের ঔষধের প্রেসক্রিপশন দেখে আমি মুচকি হাসি দিলাম, সেখানের সাত দিনের মাত্র দুইটি ঔষধের নাম লিখে দিয়েছে । এই ঔষধ দুইটা খেলেই নাকি তার রোগ ভালো হয়ে যাবে আর আমাদের দেশের ডাক্তার যদি সকল কোম্পানির রিপ্রেজেন্টটেটিভদের মন রক্ষা করে ঔষধ লেখে তাহলে রোগীর অবস্থা কি হবে একবার ভেবে দেখুনতো। তাই সময় থাকতে এদের প্রতিহত করার জন্য এলাকার সুধীসমাজের সচেতন মহল সরকারের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন ।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
২০২৩ © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD