তৌকির আহাম্মেদ হাসু স্টাফ রিপোর্টার :
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে অগ্নিকাণ্ডে ৪টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়েছে গেছে।এতে চার পরিবারের প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।সোমবার (২৩ জুন) সকাল ১০টার দিকে পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের বাউসী চন্দনপুর (মানিকের মোড় সংলগ্ন) এলাকায় এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, সকাল ১০টার দিকে হটাৎ বাউসী চন্দনপুর খুরশেদ মিয়ার ঘর থেকে আগুনের সুত্রপাত ঘটে। কয়েক মিনিটেই পুরো ঘরে আগুন ছড়িয়ে পরে। স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও পর্যাক্রমে আরো ৩টি ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।এতে খুরশেদ মিয়ার বসতঘর সহ মফিজ উদ্দিন, আব্দুল হাকিম এবং সুরুজ মিয়ার ঘর সহ চারজনের বসতঘর আগুনে পুড়ে যায়।আগুনের সবকিছু পুড়ে ছাই হলেও বিস্ময়করভাবে এক জায়গায় অক্ষত অবস্থায় পাওয়া গেছে পবিত্র কোরআন শরিফ।এই অলৌকিক ঘটনাটি এলাকাজুড়ে সৃষ্টি করেছে আবেগ ও বিস্ময়ের সাড়া।পরে সংবাদ পেয়ে সরিষাবাড়ী ফায়ার সার্ভিসটিম ও স্থানীয়দের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
এসময় আগুনে তাদের বসতঘরের সকল জিনিসপত্র টিভি, ফ্রিজ, সোনারগয়না, চিকিৎসার জন্য রাখা নগদ কয়েক লক্ষাধিক নগদ টাকা ও ২৫০ মণ-ধান চাল পুড়ে যায়।তবে স্থানীয়রা ধারণা করেন বৈদ্যুতিক লাইন থেকেই আগুনের সুত্রপাত ঘটেছে।এঘটনা কোন আহতের ঘটনা ঘটেনি।
বসতঘর পুড়ে নিঃস্ব হয়ে পড়া ভুক্তভোগী মফিজ উদ্দিন, নাছিমা বেগম, হাকিম ও সুরুজ মিয়া জানান, ‘আমরা যে যার মত করে কাজ করতেছিলাম। হটাৎ দেখি খুরশেদের ঘরে থেকে ধুয়া বের হচ্ছে। কয়েক মিনিটেই পুরো ঘরে আগুন ছড়িয়ে।পরে আশপাশের আরো চারটি ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়েলে সবকিছু পুড়ে যায়।আমাদের প্রায় অর্ধকোটি টাকার সম্পদ পুড়ে ছাঁই হয়েছে।আমরা এখন এবারে নিঃস্ব হয়ে গেলাম!
এ ব্যাপারে সরিষাবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘সংবাদ পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পৌঁছে আমাদের দুটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সুত্রপাত ঘটেছে।
প্রকাশক - শেখ রবিউল ইসলাম রবি, সম্পাদক - মোঃ আনিসুর রহমান,
বার্তা সম্পাদক - শারীদ মোল্লা
কপিরাইট © প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | দৈনিক নয়া কন্ঠ | Developed by UNIKBD.COM