টাঙ্গাইলে নির্মান শ্রমিকের বাঁচার জন্য আহাজারি
স্টাফ রিপোর্টার রিমন হোসেন :
টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার দেউলাবাড়ি ইউনিয়নে চৈথট্ট পূর্ব পাড়া গ্রামে এখন কান্নার রোল পড়েছে সালমানের বাড়িতে। মোঃ আসলাম হোসেনের বড় ছেলে সালমান হেফজ খানায় পড়াশুনা করতো। পরিবারে অভাব অনটন থাকায় সালমানের পড়াশোনা করা হয়নি। ছোট্ট বয়সেই রাজমিস্ত্রীর জোগাইলা হিসেবে কাজ শুরু করে সালমান।
২০২৪ সালের মে মাসে আশিক কনস্ট্রাকশনের আওতায় পৌরসভার চান্দশী গ্রামে সালমান রাজমিস্ত্রী হিসেবে কাজ করছিল। কাজের এক পর্যায়ে বিল্ডিং এর কার্নিশ ভেঙে সালমানের উপরে পড়ে। ঘটনাস্থলে অন্যান্য শ্রমিকরা সালমানকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। সালমানের মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙে যাওয়ায় ঢাকায় আর্থিক অনটনের পরিবারের পক্ষে সম্ভব হয়নি চিকিৎসা করানোর। সালমান যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের আওতায় কাজ করতো তাড়াও তাকে কোন প্রকার সহযোগিতা করেনি।
সালমান বর্তমানে ভাঙা মাজা নিয়ে বিছানায় শুয়ে থাকে। প্রসার পায়খান ঘরেই করতে হচ্ছে। প্রসাবের রাস্তায় ক্যাথেলা লাগানো।
আজ ঘাটাইলে জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে মহান মে দিবস শ্রমিকরা পালন করছে। সালমান আহাজারি করে বলেন কেউ আমার মতো শ্রমিকের খোঁজ খবর রাখে না। মালিকরা তো দূরের কথা যাদের সাথে কাজ করতাম সে সব শ্রমিকরাও আর কোন দিন খোঁজ খবর নেয়নি।
এ নিয়ে কোন প্রকার আফসোস নেই সালমানের। কারন কাজের সময় দূর্ঘটনায় তার মাজা ভেঙে গেছে। আর কোন দিন সুস্থ হতে পারবে না এ খবরে স্বয়ং তার স্ত্রী শিশু সন্তান নিয়ে অন্যত্র পালিয়ে গেছে। সে আজ অন্যের সংসার করছে। সমাজের বিত্তশালীদেরকে তার প্রতি সহানুভূতি চাচ্ছে যাতে পরবর্তী জীবনে অতি কস্টে না থাকতে হয়।
প্রকাশক - শেখ রবিউল ইসলাম রবি, সম্পাদক - মোঃ আনিসুর রহমান, বার্তা সম্পাদক - শারীদ মোল্লা। অস্থায়ী প্রধান কার্যালয় - সোনারগাঁ,নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা -বাংলাদেশ। Reg : TL-1061, fb: daily nayakontho, e-mail :[email protected], [email protected],web:www.dailynayakontho.com,
কপিরাইট © প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | দৈনিক নয়া কন্ঠ | Developed by UNIKBD.COM