1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৭:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার ১ লক্ষ্মীপুরে সালিশী বৈঠকের জেরে গুলি: হত্যা চেষ্টা মামলার প্রধান আসামি ঢাকায় গ্রেফতার, অস্ত্র উদ্ধার লক্ষ্মীপুরে ইত্যাদি’র বিশেষ পর্বের শুটিংয়ে প্রশাসনিক সহযোগিতা চাইল আয়োজক প্রতিষ্ঠান ফাগুন অডিও ভিশন লক্ষ্মীপুরে চার বেসরকারি হাসপাতালে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, বিভিন্ন অনিয়মে জরিমানা ৩৫ হাজার নিরাপদ রাজশাহী গঠনে জনসম্পৃক্ততার আহ্বান: র‍্যাব-৫-এর উদ্যোগে মাদকবিরোধী মুক্ত আলোচনা নিরাপদ রাজশাহী গঠনে জনসম্পৃক্ততার আহ্বান: র‍্যাব-৫-এর উদ্যোগে মাদকবিরোধী মুক্ত আলোচনা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অচল পরিবহন ব্যবস্থা, ভোগান্তিতে যাত্রীরা রাজশাহী নগর উন্নয়ন ও স্মার্ট সিটি গঠনে একসঙ্গে কাজ করবে রাসিক–রুয়েট ১২ দিনে রাজশাহীতে পদ্মার পানি বেড়েছে ১.৩০ মিটার যশোরের বাঘারপাড়ায় খাজুরায় প্রকাশ্যে কুপিয়ে যুবদল নেতা হত্যা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে গ্রামে গ্রামে ডেঙ্গু জ্বর সহ সর্দি কাশির প্রকোপ। নয়া কণ্ঠ

  • প্রকাশিতঃ শুক্রবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৩৫৭ বার পঠিত

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জে গ্রামে গ্রামে ডেঙ্গু জ্বর সহ সর্দি কাশির প্রকোপ

মোঃ আবু সুফিয়ান ঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে উপজেলার গ্রামে গ্রামে ছড়িয়ে পড়েছে জ্বর, সর্দি ও কাশির প্রকোপ। সব বয়সী মানুষ এসব রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। আশপাশের প্রায় সব পরিবারেই জ্বর, সর্দি, কাশির সমস্যায় কেউ না কেউ হচ্ছেন আক্রান্ত।

আক্রান্ত অনেক রোগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও গ্রাম্য চিকিৎসক দিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এদিকে উপজেলার হাটবাজারের ফার্মেসিগুলোতে প্যারাসিটামল ও এন্টিবায়োটিক জাতীয় ওষুধের চাহিদা বেড়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জের উপজেলার প্রায় প্রতিটি পরিবারে গত এক সপ্তাহ থেকে ঠান্ডা জ্বর ও সর্দির প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। শুধু একই পরিবার নয়, সারা দেশেই এমন ঘরে ঘরে জ্বর, সর্দি-কাশি রোগের প্রকোপ বাড়ছে। প্রতিটি ঘরেই কেউ না কেউ জ্বর বা সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হচ্ছেন। আক্রান্তরা জ্বরের পাশাপাশি সর্দি, কাশি, মাথাব্যাথা, গলাব্যাথা অনুভব করছে। বাড়িতে প্রাথমিক চিকিৎসা নিলেও এই জ্বর কমপক্ষে এক সপ্তাহ ভোগাচ্ছে। কেউ কেউ আবার একাধিকবার জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছেন।

উপজেলার মহারাজ পুর ইউনিয়নের আঃ আলীম বলেন, সে প্রায় সপ্তাহ খানেক সর্দি জ্বরে ভোগেন। জ্বর হলে শরীরের তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কাঁপুনি, খিদের অভাব, ডিহাইড্রেশন, ডিপ্রেশন, মাথাব্যথা, অবসাদের মত লক্ষণে ভোগেন। পরিশেষে এন্টিবায়োটিক খেয়ে সর্দি জ্বর হতে মুক্ত হোন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এটা হল আবহাওয়ার ট্রানজিশন পিরিয়ড। এই সময়ে হঠাৎ করেই তীব্র গরম থেকে এই রোগ গুলো বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে ধারনা করছেন। এই ভ্যাপসা গরমে সতেজ ও সক্রিয় হয়ে ওঠে বেশ কিছু ভাইরাস। আর এমন সব ভাইরাসের ফাঁদে পড়লেই শুরু হয়ে যায় জ্বর, সর্দি ও কাশির মতো নানান সমস্যা।

চিকিৎসকদের মতে ঠান্ডা লাগা, পেটে সংক্রমণ, ফুসফুসে সংক্রমণ, রক্ত স্বল্পতা হলেও জ্বর হয়। ঋতু পরিবর্তন, ভাইরাল ইনফেকশন বা অন্য বড় রোগের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় কারো কারো জ্বর হয়। মানুষের শরীরের মধ্যে মেটাবলিজম চলাকালীন যে ক্রিয়া-বিক্রিয়া চলতে থাকে, তা থেকেই বাড়তে পারে শরীরের তাপমাত্রা। তবে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণ নানা কিছু হতে পারে।

বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের মতে ডেঙ্গু ভাইরাস বহনকারী মশা কাউকে কামড়ালে, মশার লালার মাধ্যমে ভাইরাস ত্বকের ভিতর প্রবেশ করে। এটি বাসস্থান পাকা করে নেয় এবং শ্বেত রক্তকোষে প্রবেশ করে, এবং যখন কোষগুলি শরীরের সর্বত্র চলাচল করে তখন সেগুলির ভিতরে এই ভাইরাস প্রজননকার্য চালিয়ে যায়। এর প্রতিক্রিয়ায় শ্বেত রক্তকোষগুলি বহুসংখ্যক সিগন্যালিং প্রোটিন তৈরি করে, যেমন ইন্টারফেরন, যা অনেকগুলি উপসর্গের জন্য দায়ী, যেমন জ্বর, ফ্লু-এর মত উপসর্গ, এবং প্রচন্ড যন্ত্রণা। প্রবল সংক্রমণে, শরীরের ভিতরে ভাইরাসের উৎপাদন অত্যধিক বৃদ্ধি পায়, এবং অনেক বেশি প্রত্যঙ্গ (যেমন যকৃত এবং অস্থিমজ্জা) ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, এবং রক্তস্রোত থেকে তরল ক্ষুদ্র রক্তনালিগুলির দেওয়াল থেকে শরীরগহ্বরে চুঁইয়ে পড়ে। ফলে, রক্তনালিগুলিতে কম রক্ত সংবহিত হয় এবং রক্তচাপ এত বেশি কমে যায় যে প্রয়োজনীয় অঙ্গসমূহে যথেষ্ট পরিমাণে রক্ত সরবরাহ হতে পারে না। উপরন্তু অস্থিমজ্জা কাজ না করায় অনুচক্রিকা বা প্লেটলেটসের সংখ্যা কমে যায় যা কার্যকরী রক্ততঞ্চনের জন্য দরকারি; এতে রক্তপাতের সম্ভাবনা বেড়ে যায় যা ডেঙ্গু জ্বরের অন্যতম বড় সমস্যা।

সর্বোপরি আবহাওয়া পরিবর্তনের সাথে সাথে আমাদের সবাইকে সতর্কতার সাথে দৈনন্দিন ও নিত্য প্রয়োজনীয় কাজগুলো নিয়ম অনুযায়ী পালন করতে হবে। বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখাসহ রাতের বেলায় সর্বদা মশারি টানিয়ে ঘুমাতে হবে। ভয় না পেয়ে সবাইকে সচেতন ও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এই রোগ গুলোকে মোকাবেলা করতে হবে।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD