নভেম্বর ১৫, ২০২৪, ১১:২১ পি.এম
আলেকজান্ডার টু দৌলতখান নৌরুট যাত্রী ওঠানামা নিয়ে বিরোধের জেরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা। দৈনিক নয়া কণ্ঠ

আলেকজান্ডার টু দৌলতখান নৌরুট যাত্রী ওঠানামা নিয়ে বিরোধের জেরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা
ফিরোজ আলম পরশ
রামগতি (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি ঃ
লক্ষ্মীপুরের আলেকজান্ডার-দৌলতখান (ভোলা) নৌরুটে চলাচলকারী পৃথক লঞ্চ দু’টির সময়সূচী নিয়ে যাত্রী ওঠানামায় বিরোধের জেরে দুপক্ষে সংঘর্ষের আশংকা করা হচ্ছে। অনুমোদিত রুটপারমিট ও সময়সূচী লংঘন করে এম এল ফারজানা এন্ড সানজিদা-৫ নামের লঞ্চটির লোকজনের বাধার মুখে এমভি সজল এক্সপ্রেস-৩ তার নির্ধারিত সময়ের যাত্রী নিতে পারছেনা। এতে যাত্রীদের টেনেহিঁচড়ে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে ঘাট এলাকার নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। মঙ্গলবার সরেজমিন এচিত্র লক্ষ্য করা গেছে।
জানা যায়, বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগ আলেকজান্ডার-দৌলতখান নৌরুটের জন্য রুটপারমিট সহ সময়সূচী অনুমোদন দেয়। অনুমোদিত সময়সূচীতে সকাল ৬ টা ও দুপুর সাড়ে বারোটায় এমভি সজল এক্সপ্রেসকে এবং ৬টা ২০ মিনিটে ও দুপুর দেড়টায় এমএল ফারজানাকে আলেকজান্ডার ঘাট থেকে যাত্রী পারাপারের নিমিত্তে পত্র জারি করা হয়। কিন্তু, আদেশ অমান্য করে এমএল ফারজানার পক্ষে সংঘবদ্ধ লোকজন নিয়ে ঘাট দখলে নিয়ে যাত্রীদের জিম্মি করে রাখে।
এমভি সজল এক্সপ্রেসের মালিক গোলাম মওলা আতাহার অভিযোগ করে জানান, গত ১১ নভেম্বর স্বাক্ষরিত বিআইডব্লিউটি কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে এমএল ফারজানার পক্ষে আলেকজান্ডারের বাসিন্দা জনৈক শাহাব উদ্দিনের নেতৃত্বে আলম, মিলন, বাবুল, মনির গং আলেকজান্ডার ঘাটে তার লঞ্চে যাত্রী ওঠানামায় বাধা সৃষ্টি করছে। গতকাল বুধবার থেকে তার নির্ধারিত সময়ের যাত্রীদের আটকে রাখার কারণে প্রায় যাত্রীশূন্য ট্রিপ দিতে হয়েছে তার লঞ্চ এমভি সজলকে। এছাড়া তার লঞ্চ স্টাফদের অশালীন গালমন্দ ও ভয়-ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে।
অন্যদিকে এমএল ফারজানার মালিক পক্ষের আত্মীয় পরিচয়ে পরিচালনাকারী শাহাব উদ্দিন জানান, গত ২৬ অক্টোবর ঢাকায় অনুষ্ঠিত লঞ্চ মালিকদ্বয়ের মধ্যে সম্পাদিত রোটেশন চুক্তি অমান্য করে এমভি সজল এক্সপ্রেস রুটে চলাচল করছে। তার নেতৃত্বে বাধা প্রদানের অভিযোগ সত্য নয়।
উল্লেখ্য, এ রুটে যাত্রীসাধারণের চলাচল সহজ ও নির্বিঘ্ন করতে লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বিএনপি নেতা এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান নিজ অর্থায়নে টোলের রাজস্ব পরিশোধ করে দেন। কিন্তু, লঞ্চ মালিকদের অব্যবস্থাপনা ও সংশ্লিষ্ট দফতরের উদাসীনতার কারণে এ রুটে যে কোনো সময় বিরোধ ও রক্তক্ষয়ী সংঘাত-সংঘর্ষের আশংকা করছেন এলাকাবাসী।
রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ কবির হোসেন বলেন,বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
প্রকাশক - শেখ রবিউল ইসলাম রবি, সম্পাদক - মোঃ আনিসুর রহমান, বার্তা সম্পাদক - শারীদ মোল্লা। অস্থায়ী প্রধান কার্যালয় - সোনারগাঁ,নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা -বাংলাদেশ। Reg : TL-1061, fb: daily nayakontho, e-mail :[email protected], [email protected],web:www.dailynayakontho.com,
কপিরাইট © প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | দৈনিক নয়া কন্ঠ | Developed by UNIKBD.COM