বোনদের ওয়ারিশকৃত জমির ধান কেটে নেওয়ার অভিযোগ
তৌকির আহাম্মেদ হাসু স্টাফ রিপোর্টার: জামালপুরের সরিষাবাড়ী বোনদের ওয়ারিশকৃত ৩০ শতাংশ জমিতে লাগানো ধান জোরপূর্বক কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে (ভাতিজা) সাখোয়াত হোসেনের বিরুদ্ধে।গতকাল রবিবার সকাল ৬টার দিকে উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের খাগুরিয়া মধ্যপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরর্বতীতে ঐদিন রাতে বিউটি আক্তার বাদী হয়ে তার ভাতিজা সাকুয়াতের বিরুদ্ধে সরিষাবাড়ী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ ও স্থানীয়দের সুত্রে জানা যায়,সরিষাবাড়ী উপজেলা মহাদান ইউনিয়নের খাগুরিয়া মধ্যপাড়া এলাকার মৃত দেলোয়ার
হোসেন দুদু মাস্টারের দুই ছেলে ও দুই মেয়ে। তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবত পৈত্রিক সম্পত্তির বন্টন নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।পরে স্থানীয়রা সামাজিকভাবে বিচার সালিশের মধ্য দিয়ে সবাইকে পৈত্রিক সম্পত্তির প্রাপ্ত অংশটুকু বুঝিয়ে দেন।পরে দুই বোন বিউটি ও বিলকিস বেগমের প্রাপ্ত অংশটুকু তাদের ছোট ভাই লিটনের কাছে চাষাবাদের জন্য রেখে যান।লিটন সেই জমি চাষাবাদ করেন এবং বোনদের দেখভাল করেন।এদিকে বড় ভাই বিপ্লব ও তার পরিবারের অভিযোগ বোনদের সম্পত্তি কেন লিটনকে একক ভাবে তারা দিয়েছেন।দিলে দুই ভাইকেই সমান করে দিতে হবে।আর এই নিয়েই লিটন ও দুই বোনের সাথে বড় ভাই বিপ্লব ও তার পরিবার বিবাদ চলে আসছে।জানা যায়, বিপ্লব প্রবাসে থাকায় তার ছেলে সাকুয়াত হোসেন রবিবার সকালে এলাকার কিছু লোকজন নিয়ে লিটনের লাগানো ৩০ শতাংশ জমির ধান কেটে নিয়ে যায় অভিযোগ করে বলে বিউটি বেগম।পরে এই নিয়ে বিউটি বেগম বাদী হয়ে সরিষাবাড়ী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
এবিষয়ে অভিযুক্ত বিপ্লব মিয়ার ছেলে সাকুয়াত হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।পরে বিপ্লবের স্ত্রী আকলিমা বেগম বলেন, ‘আমার শশুরের সম্পত্তি তারা জোরপূর্বক বেশি দখল করে চাষাবাদ করছে। গ্রামবাসী দেখে তারা নিজেরাই ধান কেটে দুজনের মধ্যে ভাগ করে দিয়েছে।
ভুক্তভোগী লিটন মিয়া বলেন, ‘আমার বড় ভাই বিপ্লব ও তার স্ত্রী আমাদের মাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে এবং দুই বোনকে কখনোই তিনি কোন খোঁজ খবর নেননি।তাই তারা তাদের প্রাপ্ত পৈত্রিক সম্পত্তি চাষাবাদের জন্য আমার মধ্যে রেখে যান। বোনদের জমিতে আমি আমন ধান চাষ করেছি। বড় ভাই বিপ্লব তার অংশের কিছু জমি বিক্রি করে এখন আমাদের সম্পত্তিতে ভাগ বসাতে চাচ্ছেন। এখন ভাতিজা সাকুয়াত লোকজন নিয়ে বোনদের জমির ধান কেটে নিয়ে গেছে।আমি প্রশাসনের কাছে আমার নিরাপত্তা ও এঘটনা সুষ্ঠু তদন্তসহ বিচার চাই।
এ বিষয়ে সরিষাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. চাঁদ মিয়া বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়া গেছে।তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রকাশক - শেখ রবিউল ইসলাম রবি, সম্পাদক - মোঃ আনিসুর রহমান, বার্তা সম্পাদক - শারীদ মোল্লা। অস্থায়ী প্রধান কার্যালয় - সোনারগাঁ,নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা -বাংলাদেশ। Reg : TL-1061, fb: daily nayakontho, e-mail :[email protected], [email protected],web:www.dailynayakontho.com,
কপিরাইট © প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | দৈনিক নয়া কন্ঠ | Developed by UNIKBD.COM