মোঃ সুজন খন্দকার,স্টাফ রিপোর্টার ঃ নাজিরগঞ্জ নৌপুলিশ ফাঁড়ির আওতাধীন বেড়া উপজেলার যমুনা নদীর বিভিন্ন স্থানে অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে, রাজশাহী অঞ্চলের নৌপুলিশের পুলিশ সুপার এর তত্ত্বাবধানে নিয়মিত টহল ডিউটি চলাকালীন সময়ে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোহনগঞ্জ সংলগ্ন যমুনা নদীর মাঝখানে বাংলা ড্রেজার দিয়ে কতিপয় অসাধু ব্যক্তিরা অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে,এমন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার ২৪শে মার্চ দুপুরে অভিযান নামে নাজিরগঞ্জ নৌপুলিশের একটি চৌকস টিম।
এ সময় বাংলা ড্রেজার যোগে ৬ জন ব্যক্তি অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করাকালীন সময়ে নৌ পুলিশের উপস্থিতি টের পাইয়া নৌকা ও ড্রেজার মেশিন ফেলে নদী থেকে লাফিয়ে পালাইয়া যায়। তাতে ঘটনা স্থল থেকে জব্দ করা হয়, অবৈধভাবে বালু কাটা অবস্থায় ৬ সিলিন্ডার বিশিষ্ট ১১০ হর্স পাওয়ারের ১টি বাংলা ড্রেজার। যার মূল্য অনুমানিক ৩ লাখ টাকা, ০১টি চায়না ইঞ্জিন চালিত কাঠ বডি নৌকা। যার মুল্য আনুমানিক ২ লাখ টাকা।
এসময় উপস্থিত সাক্ষী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়,পলাতক ৬ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করে নাজিরগঞ্জ নৌপুলিশ।
আসামীরা হলো-পায়না গ্রামের মাসুদ ফকিরের ছেলে ১। মোঃ দুলাল শেখ (৪৫), একই গ্রামের মৃত তালেব সরকার এর ছেলে ২। মোঃ আলম (৪৭), শহিদ মোল্লার ছেলে ৩। মোঃ আমানুল মোল্লা (২৮), বারাম সেখের ছেলে ৪। মোহাম্মদ আলী (৩৭), মোঃ হাসমত আলির ছেলে ৫। সাইফুল ইসলাম (৪০),ও মোঃ ইজিবর ইসলাম এর ছেলে
৬। নানু মিয়া (৩০), এরা সবাই পাবনা জেলার বেড়া থানাধীন ছোট পায়না গ্রামের বাসিন্দা।
এবিষয়ে নাজিরগঞ্জ নৌপুলিশ ফাঁড়ি ওসি সাইদুর রহমান জানান, পলাতক আসামীগন দেশীয় তৈরী বাংলা ড্রেজার দ্বারা পদ্মা ও যমুনা নদী হইতে দীর্ঘদিন যাবত অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের ফলে মোহনগঞ্জ বেরিবাঁধ, পেঁচাকোলা চর, মোহনগঞ্জ ও পায়নাসহ আশপাশ নদী এলাকায় ব্যাপক ক্ষতি সাধন করিয়াছে। এই চক্রটি ধরার জন্য কাজ করছে নাজিরগঞ্জ নৌপুলিশ।
প্রকাশক - শেখ রবিউল ইসলাম রবি, সম্পাদক - মোঃ আনিসুর রহমান, বার্তা সম্পাদক - শারীদ মোল্লা। অস্থায়ী প্রধান কার্যালয় - সোনারগাঁ,নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা -বাংলাদেশ। Reg : TL-1061, fb: daily nayakontho, e-mail :[email protected], [email protected],web:www.dailynayakontho.com,
কপিরাইট © প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | দৈনিক নয়া কন্ঠ | Developed by UNIKBD.COM