1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : nayakontho@394144 nayakontho@394144 : nayakontho@394144 nayakontho@394144
  5. [email protected] : unikbd :
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সাজেকের জৌপুই পাড়ায় চিকিৎসার অভাবে প্রসূতির মৃত্যু নবনির্বাচিত জেলা জামায়তের আমিরের শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন মাকে সাথে নিয়ে নিজ এলাকায় শেখ হাসিনার আগমন উপলক্ষে স্বাগত মিছিল করলেন ছাত্রলীগ নেতা রাজবাড়ীতে ব্যবসায়ী নেতা লিটনকে গুলি করে হত্যাচেষ্টা, বিচারের দাবিতে মানববন্ধন গণসংহতি দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির বিশাল র‍্যালি সীতাকুণ্ডে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত আবরার হত্যা মামলায় নতুন বিতর্ক: মোর্শেদের মৃত্যুদণ্ড পুনর্বিবেচনার আহ্বান দুই আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনের আপিল বিভাগে ২৪ নভেম্বর শুনানির অপেক্ষা, ব্যক্তিগত দায় নির্ধারণ ও সাক্ষ্যপ্রমাণের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন; ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে নিরপেক্ষ পর্যালোচনার দাবি সংহতি দিবসের সভায়-দেশ গঠনে জিয়ার দর্শনই সময়োপযোগী আসলাম চৌধুরী এফসিএ কসবায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণে রণক্ষেত্র ছুটির দিনেও কাজ করছে আকিজ টেক্সটাইলের ৭ হাজার শ্রমিক!

হ্যাঁ , না ভোটের নির্বাচন থেকে গনতন্ত্রের পথে বাংলাদেশ আজ কতটুকু অগ্রসরমান। উপসম্পাদকীয়

  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৪৪০ বার পঠিত

 

উপসম্পাদকীয়

হ্যাঁ , না ভোটের নির্বাচন থেকে গনতন্ত্রের পথে বাংলাদেশ আজ কতটুকু অগ্রসরমান

বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মমতাজ হুসেন চৌধুরী

রাজনীতি / অপরাজনীতি / বিরাজনীতি : জাতির জনক বলেছিলেন – সঠিক নেতৃত্ব , আদর্শ , কমিটি/ সংগঠন ও কর্মী বাহিনী ব্যতিরেকে দল বা রাজনীতি হয়না । জিয়াউর রহমান বলেছিলেন – I will make politics difficult for politician and money is no problem . চীনের মাও সেতুং বলেছিলেন – politics is war without bloodshed while war is politics with bloodshed. আব্রাহাম লিংকন তার গেটসবার্গ ভাষনে বলেছিলেন – Democracy of the people , by the people , For the people . আমি এসব নেতৃবৃন্দের মুল্যবান বক্তব্যের বিশ্লেষন ক্ষুদ্র পরিসরে করবনা যা সম্ভব ও নয় । তবে পাদটীকার আলোকে সবচেয়ে ম্যাচ করা বক্তব্য দিয়েছিলেন প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান । উনি ক্ষমতায় আসার পর জেনারেল থেকে হ্যাঁ না ভোটের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট হলেন , দুনিয়াকে দেখালেন উর্দি পরে ও গনতান্ত্রিক পন্থায় রাজনীতি করা যায় । হয়ত করা যায় উনার দর্শনের মত করে যাকে বলে মিলিটারী ডেমোক্রেসী , বুলেট আর ব্যালট এক সাথে এক বিছানায় ঘুমানো । মোদ্দা কঁথা হলো , বঙ্গবন্ধু হত্যার মধ্য দিয়ে হত্যা , ক্যু ,ষরযন্ত্র , সংবিধানের ওপেন হার্ট সার্জারী করে কুখ্যাত ইনডেমনিটি বিল সংযোজন অর্থাৎ খুনীদের বিচার করা থেকে রেহাই দেয়ার ব্যবস্তা । শুরু করলেন রাজনৈতিক দল , হায়ার করা প্লেয়ার , মুক্তিযুদ্বের পরাজিত সেনাপতিদের দলে টানা , ভয়ানক কৌশল ছিল শিল্পপতিদের , আমলাদের দিয়ে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে মনোনয়ন দেয়া , আবার টাকাওয়ালা / হুন্ডাওয়ালা / গুন্ডাওয়ালা / হুন্ডিওয়ালা/ চিহ্নিত সাজাপ্রাপ্ত খুনীদের জেল থেকে ছেরে দিয়ে / স্মাগলার দিয়ে /মুক্তিযুদ্বের পরাজিত শক্তির প্রতিনিধিদের দিয়ে দেশের নেতৃত্ব ও মন্ত্রীত্ব গঠন করেন । শুরু বিরাজনীতিকরনের সুক্ষ্ম প্রক্রিয়া , আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের সাদা কালো পোষ্টার পক্ষান্তরে ভারাটিয়া রাজনীতিকরা চাররঙ্গা পোষ্টার , কর্মীদের প্রচার প্রচারনার হাত খরচ , কেন্দ্র দখলের জন্য গুন্ডা ও প্রসাশনিক চক তৈরী ইত্যাদি শুরু করে প্রকৃত রাজনীতির মাঠের লোকদের কোনঠাসা করে ফেলে ।
একি ধারাবাহিকতায় মরহুম জেনারেল এরশাদ দীর্ঘ সময় দেশ পরিচালনা করে রাজনীতির বারোটা বাজিয়ে যান । আন্দোলনের মাধ্যমে গনতন্ত্র পুনরুদ্বার করেও ১৯৯১ এর নির্বাচনে মিডিয়া ক্যু , আমলাদের কারসাজির মাধ্যমে ও টাকাওয়ালাদের দাপটে আওয়ামী লীগ ঠগে যায় । জননেত্রী শেখ হাসিনার বিচক্ষনতায় ১৯৯৬ সালে ২১ বছর পর মুক্তিযুদ্বের দল আওয়ামী লীগ মার্জিনাল আসনে পাশ করে সরকার গঠন করে । এত সময়ে ইতিহাস পলাতক , পাঠ্য পুস্তকে শিশুশিক্ষার উপকরন নির্ধারনে পেইড লেখক ও গবেষকরা যেন সুকৌশলে জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার অপচেষ্টায় মরিয়া , যা নিজে জিয়াউর রহমান ও চাইতেন না । এখানে বঙ্গবন্ধুর বিপরীতে জিয়া , মুক্তিযোদ্বাদের বিপরীতে মুক্তিযুদ্বের পরাজিত শক্তির একাট্টা অবস্তান , রেডিমেড বুদ্বিজীবি গোষ্টী গজানো থেকে শুরু করে যা যা অপকর্ম করার সব করে প্রঁকৃত রাজনীতিবিদদের দাবিয়ে রাখা হল । যা বলছিলাম অপরাজনীতি যেভাবে প্রশ্রয় পায় , শিকর গভীরে প্রথিত হয় ।
জননেত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক দুর্নীতি বিরোধী অভিযান নিয়ে ডাকসাইটে নেতাদের দুশ্চিন্তা বেরে যেতে পারে , নেতাদের হেনস্তা করলে দলের শক্তি কমে যাবে , এর উত্তর ও উনি দিয়েছেন – দুষ্ট গরুর চেয়ে শুন্য ঘোয়াল ভাল । একটা কঁথা মনে রাখতে হবে , এটা রাজনীতি যা রাজনীতির মাঠের লোকদের জন্যেই যুত্সই তাই কথায় বলে – বন্যেরা বনে সুন্দর , শিশুরা মাতৃক্রোরে ।আগাছা ঝরে গেলেও জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতে পুননির্মিত সংগঠনটির স্তরে স্তরে নেতৃত্ব দেয়ার বিকল্প ও যোগ্য কর্মী ষ্যান্ডবাই আছে । এসব ক্রাইসিসে যেন সুকৌশলে খাচায় পোষা পাখিরা আবার বিরাজনীতিকরনের সুযোগে ঠাঁই না পায় , এ ব্যাপারে চোখ কান খোলা রাখতে হবে । বেড়ায় যেন আবার ক্ষেত না খায় । নেত্রীর বিচক্ষতায় আল্লাহ সহায় হউন । সাধু সাবধান জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।
লেখক বাংলাদেশ স্বাধীনতাযুদ্ধে একজন সম্মখ যোদ্ধা

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD